একই সঙ্গে গতকাল সারা দেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা প্রকাশ করে সতর্কবার্তা জারি করেছেন পেট্রোলিয়াম ডিলাররা। খবর ডন।
পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, দেশে পেট্রল ও ডিজেলের কোনো ঘাটতি নেই। তবে নতুন জ্বালানি মূল্যের ঘোষণা কার্যকর হওয়ার আগের রাতেই অনেক নাগরিক তড়িঘড়ি করে জ্বালানি তেল কিনতে পাম্পে ভিড় করেন।
খাইবার পাখতুনখোয়া পেট্রোলিয়াম ডিলারস অ্যান্ড কটেজ কন্ট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য সচিব নাজিবুল্লাহ জানান, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ার অজুহাতে বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের কাছে পেট্রল ও ডিজেল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে অনেক এলাকার পাম্প এরই মধ্যে জ্বালানিশূন্য হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী সোমবারের মধ্যে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ পেট্রল পাম্পের মজুদ ফুরিয়ে যেতে পারে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী, পেট্রোলিয়াম সচিব এবং তেল ও গ্যাস নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষকে (ওজিআরএ) অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়ে নাজিবুল্লাহ বলেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
এদিকে, অ্যাসোসিয়েশনের প্রাদেশিক সভাপতি গুল নওয়াজ খান জানান, চলতি মাসের শেষ নাগাদ এ সংকট আরো প্রকট হতে পারে এবং এপ্রিলের মধ্যে দেশের পাম্পগুলো পুরোপুরি শূন্য হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তিনি পাম্প মালিকদের বিরুদ্ধে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের সমালোচনা করে প্রশ্ন তুলে বলেন, কোম্পানিগুলোই যেখানে তেল দিচ্ছে না, সেখানে ডিলারদের বিরুদ্ধে অবৈধ মজুদের অভিযোগ কীভাবে আনা হয়? তিনি সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। অন্যথায় দেশের পরিবহন ব্যবস্থা ও স্বাভাবিক জনজীবন স্থবির হয়ে পড়বে বলেও জানান।